বেগুন চাষ - Brinjal


বেগুনের জাতঃ
|
Local ( স্থানীয়) |
Indian (ভারতীয়) |
BARI released |
|
জুমকা, মুক্তাকেশি, শুকতারা, ইসলামপরী, সিংনাথ, তারাপুরী |
Pusa purle long Pusa purle cluster Pusa purle round Pusa kranti |
BARI brinjal-1( উত্তরা ) BARI brinjal-2 ( তারাপুরি) BARI brinjal-4 (কাজলা) BARI brinjal-5 ( নয়নতারা) |
মাটি নির্বাচনঃ
প্রায় সব ধরনের মাটিতে বেগুন জন্মে । তবে দোআঁশ, এটেল দোআঁশ পলিমাটি বেগুন উপাদনের জন্য বেশি উপযোগী। শীত মৌসুমে ফলন বেশি হয় । বেগুন চাষের জন্য নির্বাচিত মাটি গভীর, উর্বর ও সুনিষ্কাশিত হওয়া প্রয়োজন।
বীজ বপন ও চারা রোপণঃ
বীজতলায় চারা তৈরি করে ৫-৬ সপ্তাহ বয়সের চারা ৭৫ সেমি দুরত্তে সারি করে ৬০ সেমি দূরে দূরে লাগাতে হয় । বেগুনের জাতের গাছের আকার অনুযায়ী এ দূরত্ব ১০-১৫ সেমি কম - বেশি করা যেতে পারে ।
রোপণের সময়ঃ
গ্রীষ্মকালীন ফসল মাঘ - ফাল্গুন মাসে (মধ্য -জানুয়ারি থেকে মধ- মার্চ ) বর্ষাকালীন ফসল বৈশাখ মাসে (মধ- এপ্রিল থেকে মধ-মে) এবং শীতকালীন ফসলের জন্য ভাদ্র- আশ্বিন ( মধ্য - আগস্ট থেকে মধ্য - অক্টোবর ) মাসে চারা রোপণ করতে হয় ।
চারার হার: 450-500 gm.
জায়গা : সারি থেকে সারি- ৬০-৭০ সেমি
গাছ থেকে গাছ: ৫০- ৬০ সেমি
চারার বৈশিষ্ট্যঃ
·
উচ্চতা ১২-১৫ সে মি
·
পাতা ৩-৪ টি
·
চারার বয়স ৪০ দিন
·
বিকেল বেলা চারা রোপন করা ভাল
·
হালকা সেচ দিতে হবে।
অন্তর্বর্তীকালীন পরিচর্যাঃ
· আগাছা: আগাছা থেকে বেগুন গাছ কে রক্ষা এবং ভাল aeration এর জন্য আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
· Mulching : mulching করতে হবে আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য । এক্ষেএ water hyacinth, straw, saw dust, black polythene ব্যবহার করা জেতে পারে।
সেচ প্রদানঃ
৪ থেকে ৫ বার সেচ প্রদান বেগুন চাষের জন্য ভাল।
বেগুনের সার ব্যাবস্থাপনাঃ
|
সারের নাম |
সারের পরিমান/ হেক্টর |
|
ইউরিয়া |
৩৭০-৩৮০ কেজি |
|
টিএসপি |
১৪৫-১৫৫ কেজি |
|
এমপি |
২৪০-২৬০ কেজি |
|
গোবর |
৮-১২ কেজি |
সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ
১/২ গোবর সার জমি তৈরির সময় করতে হয়। বাকি ১/২ গোবর, সম্পূর্ণ টিএসপি এবং ১/৩ ইউরিয়া ও এমপি সার পিট তৈরির সময় প্রয়োগ করতে হবে। বাকি ইউরিয়া ও এমপি সার ৩টি সমান কিস্তিতে রোপণের ২১, ৩৫ ও ৫০ দিন পর প্রয়োগ করতে হবে।
পোকামাকড় দমনঃ
|
নাম |
বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্রকারি পোকা |
|
লক্ষণ |
১। বেগুন রোপণের ৪-৫ সপ্তাহ পরে এ পোকার আক্রমণ শুরু হয়। ২। ডিম থেকে কীড়া গাছের নরম ও কচি ডগা ও পত্র বৃন্ত ছিদ্র করে ফলে ডগা ঢলে পড়ে এবং শুকিয়ে যায়। পরবর্তীতে ফলে আক্রমণ করে। ৩। গ্রীষ্মকালে এ পকা সক্রিও বেশি হয়। |
|
প্রতিকার |
১। সহনশীল জাতের চাষ করা যথা উত্তরা, সিংনাথ, কাঁটা বেগুন ইত্যাদি। ২। ক্ষেত পরিস্কার পরিছন্ন রাখা। ৩। ঘন ঘন বেগুন ক্ষেত পরিদর্শন করা। ৪। বছরের পর বছর একই জমিতে বেগুন চাষ না করা। ৫। সুষম সার প্রয়োগ করা। বিশেষ করে পটাশ সার ব্যবহারে গাছ্রের বালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় । ৬। জৈব কীটনাশক ব্যবহার যথা বাইকাও ২ মিলি/১ লিঃ পানি বা নিমের পাতা বা ফল দ্বারা তৈরী নির্যাস ৫-৬ গুন মিশিয়ে স্প্রে করা। ৭। শেষ ব্যবস্থা হিসাবে বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে সাইপারমেথ্রিন ১ মিলি, ডেসিস ০.৫-১ মিলি, কারবফুরান, ডায়াজিনন বা সুমিথিয়ন ১.৫-২.০ মিলি, বেল্ট বা ট্রেসার ০.৪ মিলি ব্যবহার করা। |
|
নাম |
পাতার জ্যাসিড বা শোষক পোকা |
||
|
লক্ষণ |
১। পূর্ণ বয়স্ক ও বাচ্চা উভয়ই ক্ষতি করে। ২। চারা গাছ থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত এরা পাতার রস খাই। ৩। আক্রান্ত পাতা বি বরর্ণ হয়। ৪। পাতা হলুদ হতে তামা রঙ হয় এবং পরে শুকিয়ে যায়। |
||
|
প্রতিকার |
১। হাত জাল দ্বারা পোকা সংগ্রহ। ২। পরিস্কার পরিছন্ন চাষাবাদ। ৩। ফাঁদ শস্য যেমন বেগুন ক্ষেতের চারিদিকে ঢ়েঁড়স লাগানো। ৪। আক্রান্ত গাছে ছাই ছিটানো। ৫। ০.৫% ঘনত্তের সাবান পানি অথবা ৫ মিলি তরল সাবান প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা। ৬। ক্ষেতে মাকড়সা সংরখন করা। ৭। ৫০০ গ্রাম নিম বীজের শাঁস পিষে ১০ লিটার পানিতে ১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে তা ছেঁকে জ্যাসিড আক্রান্ত ক্ষেতে স্প্রে করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে। ৮। পোকা দমনের জন্য প্রতি লিটার পানিতে একতারা ০.২৫ গ্রাম, ডায়মেথোয়েট ৪০ ইসি ১ মিলি, এডমায়ার ১ মিলি, মেটাসিস্টক্স ১ মিলি, সবিক্রন ১ মিলি, এসাটাফ ১.৫ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করা। |
||
|
নাম |
বেগুনের পাতামোড়ানো
পোকা |
||
|
লক্ষণ |
১। কীড়া অবস্থ্যায় পাতা মোড়ায় এবং সবুজ অংশ খায়। ২। এটি সাধারনত কচি পাতাগুলো আক্রমণ করে থাকে। |
||
|
প্রতিকার |
১। আক্রন্ত পাতা সংগ্রহ করে নস্ত করা। ২।ক্ষেত পরিস্কার পরিছন্ন রাখা। ৩। আক্রন্মন বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে সুমিথিয়ন , ফলিথিয়ন-২ মিলি মিশিয়ে স্প্রে করা। |
||
|
নাম |
বেগুনের ছাতরা পোকা |
||
|
লক্ষণ |
১। পূর্ণ বয়স্ক ও বাচ্চা উভয়ই পাতা কান্দ ও ডগার রস চুষে খায়। ২। আক্রন্ত স্থান কালো ঝুলের মতো দেখায়। ৩। আক্রন্ত পাতা ঝরে পড়ে। |
||
|
প্রতিকার |
১। আক্রন্ত ডগা, পাতা ও ডাল দেখা মাত্র তা সংগ্রহ করে ধ্বংস করা। ২। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ম্যালাথিয়ন বা সুমিথিয়ন, ২ মিলি মারসাল ২০ ইসি ১ মিলি, ডায়মেথয়েট ৪০ ইসি ২ মিলি মিশিয়ে স্প্রে করা। |
||
|
নাম |
বেগুণের লাল ক্ষুদ্র মাকড় |
|
|
|
লক্ষণ |
·
মাকড় লাল রঙের অত্যন্ত ছোটো , পাতার নীচে থাকে । সহজে দেখা যায় না । ·
এরা পাতার রস চুষে খায় । পাতার খুব সূক্ষ্ম সাদা সাদা দাগ দেখা যায়। |
|
|
|
প্রতিকার |
·
ক্ষেতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ·
প্রাথমিকভাবে আক্রান্ত পাতা নষ্ট করা · আক্রমণ বেশী হলে মারকনাশক ব্যাবহার করা যেমন ভাড়টীমেক ১.২ মিলি , কুমুলাস বা ৮০ % সালফার ২.৫ গ্রাম/১ লিটার পানি । |
|
|
|
নাম |
বেগুণের কাঠালে পোকা |
|
|
|
লক্ষণ |
·
পূর্ণ বয়স্ক বিটল ও গ্রাব উভয়ই পাতা খায় ·
আক্রান্ত পাতা ঝাঁঝরা করে , পরে পাতা শুকিয়ে যায় এবং ঝড়ে পড়ে । |
|
|
|
প্রতিকার |
·
ক্ষেত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা ·
গাছে ছাই ছিটানো । ·
পরজীবী বোলতা সংরক্ষণ করা । ·
ডিম ও কীড়া নষ্ট করা এবং পোকা সংগ্রহ করে মেরে ফেলা । ·
শতকরা ১০ ভাগ পাতা পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে প্রতি লিটার পানিতে ডেনিটল/ট্রিবন-১ মিলি বা সুমিথিয়ন-২ মিলি বা সেভিন-২ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করা। |
|
|
রোগবালাই দমনঃ
|
নাম |
বেগুনের ছোট পাতা রোগ, মাইকোপ্লাসমা রোগ |
|
লক্ষন |
১। আক্রান্ত গাছে ছোট ছোট অনেক পাতা হয় এবং পাতাগুলো গুচ্ছ দেখা যায়। ২। জ্যাসিড পোকা এ রোগ ছড়ায়। ৩। বেগুনের ঋতুতে তাপমাত্রা বাড়লে জ্যাসিড পোকার আক্রমন বেশি হয়। ৪। গাছের বয়স এক মাস হওয়ার পর এ রোগ দেখা যায়। তবে পূর্ণ বয়স্ক গাছে এ রোগের তীব্রতা বেশি হয়। |
|
প্রতিকার |
১। বেগুন পরিবারভুক্ত ফসলের চাষ কমানো। ২। আক্রান্ত গাছ তুলে পুড়ে ফেলা। ৩। আক্রান্ত গাছের গোড়ায় গাছ প্রতি ২৫ গ্রাম চুন মাটির সাথে মিশিয়ে দিলে গাছ ক্রমেই সুস্থ হয়ে উঠে। ৪। গাছের বয়স এক দেড় মাস হলে বাহক পোকা (জ্যাসিড) দমনের জন্য প্রতি লিটার পানিতে সুমিথিইয়ন ১.৫ গ্রাম, ইমিডাক্লোরপ্রিড (এডমায়ার) ১.২ মিলি ও এসিফেট (এমিটাফ).২৫মিলি মিশিয়ে স্প্রে করা। |
|
নাম |
বেগুনের শিকড়ের গিট রোগ, কৃমি জনিত রোগ |
|
লক্ষন |
১। আক্রমন চারা অবস্থা থেকে শুরু হয়। ২। আক্রান্ত গাছ ছোট, দূর্বল ও হলদেটে রঙ হয়। ৩। গাছের শিকড় অসংখ্য গিট সৃষ্টি হয় এবং গিটে অনেক কৃ্মি থাকে। ৪। আক্রান্ত গাছের শাখা ও শিকড় নষট হয়ে যায় এবং দিনে গাছ ঢলে পরে। |
|
প্রতিকার |
১। আক্রান্ত গাছ তুলে নষট করা। ২। একই জমিতে বআর বার বেগুন চাষ না করা। ৩। শুষ্ক জমিতে চাষ দিয়ে মাটি উলটপালট করা। ৪। কৃ্মি রোগ দমনের জন্য শেষ চাষ এ কার্বোফুরান (ফুরাডান) ব্যবহার করা। |
|
নাম |
বেগুনের ঢলে পরা রোগ, ব্যাকটেরিয়া রোগ |
|
লক্ষন |
১। গাছের যে কোন বয়সে এ রোগ হয়। ২। গাছ হঠাৎ ঢলে পরে। ৩। আক্রন্ত গাছ সকালে সুস্থ আর বিকালে ঢলে পরে। ২/৩ দিন পর গাছ আস্তে আস্তে শুকিয়ে যায়। ৪। প্রাথমিক অবস্থায় গাছের শিকড় আক্রন্ত হয় এবং পানি চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে। ৫। কোন সময় আক্রান্ত গাছের নিচের পাতার শিরা ঝলসে যেতে পারে। ৬। আক্রান্ত ডাল কেটে পরিস্কার পানিতে রাখলে ঘোলাটে পুজ বের হয়। ৭। উচ্চ তাপমাত্রা ও অধিক আদ্রতা রোগ আক্রমনে সহায়ক। |
|
প্রতিকার |
১। পীত বেগুনকে আদিজোড় হিসেবে ব্যবহার করে নিদিষ্ট বেগুনের জাতে জোড় কলম করা। ২। আক্রান্ত গাছ তুলে নষট করা বা পুড়ে ফেলা। ৩। যে জমিতে এ রোগ হয় সেখানে বেগুন, টমেটো, আলু মরিচ ফসল ২/৩ বছর চাষ না করা ৪। জমি তৈরির সময় সাথে সাথে একর প্রতি ৩ কেজি কার্বোফুরান বা মিরাল মাটির সাথে মিশিয়ে বা গাছের গোড়ায় ৫গ্রাম উল্লেখিত দানাদার ব্যবহারে এ রোগ কমে। ৫। প্রাথমিক আক্রান্ত গাছের গোড়ায় ১% বর্দোমিকচার বা ৪০ গ্রাম কুপ্রাভিট ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা। ৬। স্ট্রেপ্টোমাসিন বা প্লান্টোমাইসিন এক গ্রাম ৭/১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১৫/২০ মিনিট চারা ডুবিয়ে রাখলে উপকার পাওয়া যায়। ৭। চারা রোপনের ২০-২৫ দিন আগে বিঘা প্রতি ২.৬ কেজি ব্লিচিং পাউডার শেষ চাষ ব্যবহার করা। |
|
নাম |
বেগুনের ফল ও কাণ্ড পচা রোগ |
|
লক্ষণ |
·
আক্রান্ত গাছের কাণ্ডে কেণকাড় সৃষ্টি হয় ও গাছ মারা যাই । ·
আক্রান্ত বেশী হলে ফল পচে যাই । |
|
প্রতিকার |
·
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন জাত ব্যবহার করা । ·
ফসল কাটার পর আক্রান্ত ক্ষেতের নাড়া পুড়ে নষ্ট করা । ·
সুস্থ সবল ও রোগমুক্ত গাছ হতে বীজ ব্যবহার করা । ·
বী্জ বপনের পূবে প্রভেক্স প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম মিশিয়ে বীজ শোধন করা । ·
প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম ব্যাভিষটিন মিশিয়ে গাছে স্প্রে করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। |
|
নাম |
বেগুনের গোড়া পচা বা নেতিয়ে পড়া রোগ |
|
লক্ষণ |
·
গাছের যে কোন বয়সে এ রোগ হয় । ·
আক্রান্ত গাছের পাতা নেতিয়ে পড়ে ও গোড়া পচে যায় । · আক্রান্ত বেশী হলে গোড়া পচে মরে যায় । |
|
প্রতিকার |
·
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন জাত ব্যবহার করা । ·
ফসল কাটার পর আক্রান্ত ক্ষেতের নাড়া পুড়ে নষ্ট করা । ·
সুস্থ সবল ও রোগমুক্ত গাছ হতে বীজ ব্যবহার করা । ·
প্রতি লিটার পানিতে কুপরাভিট - ৪ মিলি বা টিলট- ২ মিলি মিশিয়ে গাছে স্প্রে করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। |
|
নাম |
বেগুনের পাতা ও ফলের দাগ রোগ |
|
লক্ষণ |
·
আক্রান্ত গাছের পাতা জরে পরে । ·
আক্রান্ত পাতাই দাগ দেখা দেই । ·
আক্রান্ত বেশী হলে ফল জরে পরে । |
|
প্রতিকার |
·
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন জাত ব্যবহার করা । ·
ফসল কাটার পর আক্রান্ত ক্ষেতের নাড়া পুড়ে নষ্ট করা । ·
সুস্থ সবল ও রোগমুক্ত গাছ হতে বীজ ব্যবহার করা । ·
বী্জ বপনের পূবে প্রভেক্স প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম মিশিয়ে বীজ শোধন করা । ·
প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম ব্যাভিষটিন বা রোভরাল মিশিয়ে গাছে স্প্রে করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। |