গম-Wheat

গমের জাতঃ
·
সোনালিকা
·
কাঞ্চন
·
বরকত
·
আকবর
·
আব্রাহাম
·
প্রতিভা
·
বলাকা
·
শতাব্দী
·
অগ্রনী
·
সৌরভ (BARI gram
19)
·
গৌরভ (BARI gram
20)
বপনকালঃ নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ হতে ডিসেম্বর প্রথম সপ্তাহ।
বীজ বপন পদ্দতিঃ সারি পদ্দতিতে ২০ সেমিঃ দুরত্তে সারিতে বপন করতেয় হবে। জমি আর্দ্রতা হলে ২-৩ সেমি এবং কম হলে ৫-৬ সেমু গভীরে বপন করতে হবে।
ফসল সংগ্রহঃ ১১০-১২০ দিন। বীজের আর্দ্রতা ১৫-২০% হতে হবে।
সিড রেটঃ ১২০কেজি/হেক্টর। ( লেট প্লান্ট ১৪০ কেজি/হেক্টর)
রোপন / বপন পদ্ধতি:
ক। বপন: 1। Broadcasting ( ছিটিয়ে )
2। Line sowing ( লাইন )
খ। Transplanting : দেরিতে বপনের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতিতে অনুসরন করা হয়। ৩৫ দিনের চারা অল্প আদ্রতার মাটিতে রোপন করতে হয়।
গ। গর্ত: মাটিতে আদ্রতার পরিমান কম থাকলে বীজ একটি গর্তে বপন করতে হয়।
Spacing ( 25cm * 12cm )
অন্তর্বর্তীকালীন পরিচর্যাঃ
আগাছা দমন: সার প্রয়োগের আগে আগাছা দমন করতে হয়। মোট এক থেকে দুই বার আগাছা দমন করতে হয়।
সেচঃ মাটির ধরনের উপর নিভর করে ২-৩ বার সেচ দিতে হয়।চারার বয়স যখন ১৭-২১ দিন তখন প্রথম সেচটি দিতে হবে।ফুল ফোটার সময় grain formation এর সময় ৩য় সেচ দিতে হবে।
গমের সার ব্যবস্থাপনাঃ
|
সারের নাম |
সারের পরিমান/ হেক্টর |
|
|
|
|
সেচসহ |
সেচ ছাড়া |
|
|
ইউরিয়া |
১৮০-২২০ কেজি |
|
১৪০-১৮০ কেজি |
|
টি়এসপি |
১৪০-১৮০ কেজি |
|
১৪০-১৮০ কেজি |
|
এমপি |
৪০-৫০ কেজি |
|
৩০-৪০ কেজি |
|
জিপসাম |
১১০-১২০ কেজি |
|
৭০-৯০ কেজি |
|
গোবর/কম্পোষ্ট |
৭-১০ কেজি |
|
৭-১০ কেজি |
সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ
সেচসহ চাষের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ইউরিয়া সারের ২/৩ অংশ এবং সম্পূর্ণ টি়এসপি, এমপি, ও জিপসাম শেষ চাষের পূর্বে প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
সেচ ছাড়া চাষের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সার ইউরিয়া,
টি়এসপি,
এমপি,
ও জিপসাম শেষ চাষের সময় জমিতে প্রয়োগ করতে হবে।
পোকামাকড় দমনঃ
|
নাম |
লক্ষন |
প্রতিকার |
|
গমের গোলাপি মাজরা পোকা |
এরা গাছের কাণ্ডের ভিতরে ঢুকে মাঝের পাতা ও শীষের গোরা কেটে দেয়। |
১। হাত জাল দিয়ে মাজরা পোকা ধরে নষ্ট করা। ২। আলোক ফাঁদ ব্যবহার করা। ৩। হেক্টর প্রতি কার্বোফুরান ৫ জি ১০ কেজি, ডায়াজিনন ১.৬ লিটার, সুমিথিয়ন ১.২ লিটার। |
|
গমের জাব পোকা |
এরা পাতা, কাণ্ড ও শীষের কচিদানা থেকে রস চুষে খায়। |
ইমিডাক্লোরপ্রিড ১ মিলি/১ লিটার পানি মিশিয়ে স্প্রে করা। |
|
গমের উইপোকা |
১। শিকড়ে আক্রমণ করে চারার ক্ষতি করে ফলে চারা ঠিকমত বাড়ে না। ২। আক্রমন বেশি হলে চারা মারা যায়। |
১। জমিতে প্লাবন সেচ দেয়া। ২। হেক্টর প্রতি কার্বোফুরান ৫ জি ১০ কেজি, ডায়াজিনন ১০ জি ১৬.৮ কেজি। |
রোগবালাই দমনঃ
|
নাম |
গমের ঝুল রোগ, ছত্রাক রোগ |
|
লক্ষন |
·
গমের শীষে এ রোগ দেখা যায় ·
আক্রান্ত শীষের গায়ে অসংখ্য পাউডারের মত কালো গুড়া দেখা যায় ·
আক্রমন তীব্র হলে শীষ থেকে গমগুলো ঝরে পড়ে এবং শীষ দানাশুননো হয়ে যায় ·
বাতাসের সাহাজ্জে এ রোগ ছড়ায় |
|
প্রতিকার |
·
রোগমুক্ত ক্ষেত থেকে বীজ সংগ্রহ করা ·
আক্রান্ত শীষ দেখা মাত্র সংগ্রহ করে পুরে ফেলা ·
বীজ রোপণের পূর্বে বীজ শোধন করা যথা প্রভেক্স , বাভিস্তিন ছত্রাকনাশক ব্যবহার করা যেমন বাভিস্তিন – ১ গ্রাম /লিটার পানি |
|
নাম |
গমের পাতার মরিচা রোগ, ছত্রাক রোগ |
|
লক্ষন |
·
গমের কাণ্ড, পাতা ও পর্ব সন্ধিতে এ রোগ দেখা যায় ·
রোগের আক্রমনে লোহার মরিচার মতো লালচে রঙের দাগ পড়ে ·
দাগগুলো পরে কালো রং হয় |
|
প্রতিকার |
·
আক্রান্ত ক্ষেতের নাড়া পুড়িয়ে ফেলা ·
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন জাত ব্যবহার করা ·
সুষম সার ব্যবহার করা ·
বীজ বপনের পূর্বে বীজ শোধন করা যথা ৩ গ্রাম প্রভেক্স , বা ২ গ্রাম বাভিস্তিন/কেজি বীজ ·
অনুমোদিত ছত্রাকনাশক ব্যবহার করা যথা ১ মিলি বা কালিক্সিন ০.৫ মিলি প্রতি লিটার পানি |
|
নাম |
গমের পাতা ঝলসানো রোগ, ছত্রাক রোগ |
|
লক্ষন |
·
পাতায় বাদামি ফুসকুড়ি আকারের দাগ দেখা যায় ·
পরে এসব দাগগুলো একত্রে মিশে যায় এবং সম্পূর্ণ পাতা পোড়া দেখায় ·
আক্রমন বেশি হলে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ফলন কমে যেতে পারে |
|
প্রতিকার |
·
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন জাত ব্যবহার করা ·
বীজ বপনের পূর্বে প্রভেক্স ২০০ wp (৩ গ্রাম/কেজি বীজ) দ্বারা শোধন করা · আক্রান্ত বেশি হলে অনুমোদিত ছত্রাকনাশক ব্যবহার করা যথা প্রপিকোনাজল টিলট ২৫০ ইসি ১ মিলি প্রতি লিটার পানি |